ভালোবাসার আরেক নাম কবিতা! কবিতা পছন্দ করে না এরকম মানুষ পাওয়া যায় না। আর মেয়ে মানুষ হলে তো কথাই নাই। খুব সহজে মেয়েরা কবিতার প্রেমে পড়ে। তাই এই ৫০টি প্রেম/ভালোবাসার কবিতা আপনার জন্য।
১. চিঠির ডালায় জমে থাকা সময়
লাল খামে লেখা এক চিঠি, যার ডাকনাম “অন্তর্গত”—
প্রতি শব্দে লুকিয়ে আছে অসমাপ্ত এক সন্ধ্যা।
তোমার হাতের লেখায় জড়িয়ে যায় আমার শিরা-উপশিরা,
মুহূর্তগুলো হয়ে ওঠে কালি-মাখা পাখির পালক।
কখনো লিখো না “বিদায়”, শুধু “আবার দেখা হবে”—
শূন্যতায় ভরবে এই ঘর, জানালায় জমবে হিম।
চিঠির কোণায় আঁকা ফুলগুলো ফুটবে না কোনোদিন,
তবুও প্রতিদিন জল দিই, হয়তো একদিন কথা বলবে তারা।
২. রান্নাঘরের আলোয় প্রেম
পেঁয়াজ কাটার শব্দে মিশে যায় আমাদের কথোপকথন,
আলুর ভাজায় গন্ধে গন্ধে লুকিয়ে থাকে আদরের ছোঁয়া।
তুমি বলো, “লবণ একটু কম পড়েছে”—আমি হাসি,
এই তো জীবন: স্বাদহীন মুহূর্তেও তুমি থাকো স্বাদে ভরা।
রান্নার ধোঁয়ায় মোড়া জানালায় বসে দেখা সূর্যাস্ত,
চায়ের কাপে চুমুক দিলে জাগে গল্পের অধ্যায়।
আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে যায় সমস্ত দূরত্ব,
একটি প্লেটে ভাগ করে নেই অদৃশ্য ভালোবাসার ভাগ।

৩. স্মৃতির শহর
তুমি যখন প্রথম ছুঁয়েছিলে হাত,
সময়ের সুরে বাজল প্রণয় গাথা।
তোমার চোখের নীলে হারিয়ে ছিলাম,
সেই দিনগুলো আজও স্বপ্নে ভাসা।
শহরের রাস্তায় হেঁটেছি কত,
তোমার কণ্ঠে ছিলো মধুরতা যত।
চাঁদের আলোয় হাতে হাত রেখে,
ভেবেছিলাম থাকবে তুমি আমায় রেখে।
কিন্তু সময় তো চলে যায় নিরবধি,
তোমার ছোঁয়া আজও মনকে জাগায়।
তুমি কি জানো? আমি এখনো থেমে,
স্মৃতির শহরে তোমার অপেক্ষায়।
তুমি কি ফিরবে? নাকি থাকবে দূরে?
তোমার অভাব কি সঙ্গী হবে চিরতরে?
ভালোবাসা কি শুধু এক মেঘের ছোঁয়া?
নাকি স্মৃতিতে বাঁচে, বেঁধে নেয় মোহনা?
৪. হৃদয়ের শব্দ
তোমার চোখে এক অনন্ত ভাষা,
যেখানে হারিয়ে যায় সমস্ত ভালোবাসা।
শব্দেরও নেই সে শক্তি,
তোমার স্পর্শের মতো গভীর অনুভূতি।
যখন বলো, “ভালোবাসি”,
বুকের গভীরে বাজে সুরের মিছিল।
তোমার এক ঝলক হাসিতে
হারিয়ে যায় শত অভিমান, শত সংশয়।
সেই মুহূর্তের প্রতীক্ষায় বেঁচে থাকি,
শুধু তোমার স্পর্শে জেগে উঠবে আমার প্রাণ।
ভালোবাসার চিঠিগুলো জমে থাকে হৃদয়ের কোণে,
একদিন সব শব্দ মিলিয়ে এক হবে অনুরণনে।
৫. তোমার অনুপস্থিতি
শহরের প্রতিটি ইট, পাথর, বাতাস—
সব তোমার গল্প বলে, অথচ তুমি নেই!
তোমার না থাকা এক বিশাল শূন্যতা,
যেখানে শব্দ নেই, নেই কোনো রঙিন ছবি।
কিন্তু আমি জানি, তুমি আছো কোথাও,
হয়তো অন্য কারও পাশে বসে হাসছো,
হয়তো নতুন কারও হাত ধরেছো,
তবুও আমার হৃদয় যে তোমাকেই খোঁজে।
রাতের আকাশের তারাগুলোও বোঝে,
আমি একা, অথচ স্মৃতিতে তুমি পূর্ণ।
তোমার ছায়া পেরিয়ে যেতে পারিনি,
তুমি হয়তো পারবে, কিন্তু আমি নয়।
৬. দূরত্বের সেতু
তোমার শহর থেকে আমার শহর—
কতটা দূরত্ব, কে জানে?
তবুও মনে হয়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে
তোমার অস্তিত্ব আমাকে ছুঁয়ে যায়।
রাতের বৃষ্টি জানালার পাশে,
তুমি নেই, অথচ তোমার কণ্ঠ শোনা যায়।
ভালোবাসা কি কেবল কাছে থাকার নাম?
তাহলে কেন দূরত্বেও হৃদয় বেঁধে থাকে?
একদিন দূরত্ব পেরিয়ে তুমি আসবে,
অথবা আমি হারিয়ে যাবো সময়ের স্রোতে।
তবু ভালোবাসা থেকে যাবে,
চিরন্তন, অবিনশ্বর, অবিচল।

৭. ভালোবাসার ঋতু
তোমার সঙ্গে বসন্ত এসেছিল,
পাখিরা গেয়েছিল নতুন গান।
তোমার চোখে আমি দেখেছিলাম
সেই রঙিন বসন্তের স্বপ্নীল সন্ধান।
তারপর এল বর্ষা,
তুমি বললে, ‘আকাশটা আমার মতো, কাঁদে।’
আমি চুপ করে থাকলাম,
কারণ সে কান্নার ভাষা আমি বুঝি।
শরতের মেঘ কেটে গেল,
তবু তুমি ফিরলে না।
আমার হৃদয়ে শীত নেমে এল,
কিন্তু ভালোবাসা এখনো বেঁচে আছে।
৮. শেষ চিঠি
তোমাকে লিখতে বসেছি এক শেষ চিঠি,
যেখানে থাকবে না অভিযোগ কিংবা ব্যথার গল্প।
শুধু থাকবে কিছু অনুভূতির রেখাপাত,
যা একদিন ছিল তোমার হাতের উষ্ণতায়।
তুমি কি জানো?
ভালোবাসা কখনো হারায় না,
শুধু বদলে যায় তার রঙ,
বদলে যায় তার অভিব্যক্তি।
তুমি দূরে চলে গিয়েছ,
কিন্তু আমার হৃদয়ে এখনো একই শিহরণ।
তোমার নাম ধুলো জমা চিঠির মতো,
তবু একদিন পড়তে গেলে বুঝবে—
ভালোবাসা কখনো ফুরায় না।
৯. তোমার নামের আলো
তোমার নামের প্রথম অক্ষরটি যখন লিখি,
মনের ক্যানভাসে বৃষ্টি নামে।
যেন কাব্যের প্রতিটি ছত্রে তুমি,
আছো ঝলমলে রোদের মতো।
কিছু নাম হৃদয়ে গাঁথা থাকে,
শব্দের বাঁধনেও তাদের শিকল পড়ে না।
তুমি সেই নাম, যা আকাশের মতো বিশাল,
যেখানে আমার স্বপ্নেরা উড়ে বেড়ায়।
তোমার নামই আমার কবিতা,
তোমার হাসিই আমার ছন্দ।
তুমি আছো, থাকবেই,
সমস্ত আবেগের একমাত্র ঠিকানা হয়ে।
১০. স্নিগ্ধতা
তোমার হাসির ভিতরে ঝরে পড়ে কুয়াশা,
যেন এক শিশিরভেজা সকাল।
তোমার কথায় জেগে ওঠে কাঁপন,
ক্লান্ত হৃদয়ে আসে নির্ভরতার কাল।
তোমার চোখে রোদের আলো,
তোমার কণ্ঠে সমুদ্রের ঢেউ।
তুমি যদি কাছে থাকো,
তবে আমিও মেঘের মতো উড়ে যাই।
এই ভালোবাসা মাটির মতো গন্ধ ছড়ায়,
এই অনুভূতি নদীর মতো বয়ে চলে।
তুমি আছো, এটাই যথেষ্ট,
তুমি আমার আকাশের এক চিলতে নীল।
১১. তুমি এক নিঃশব্দ বৃষ্টি
কথা বলতে বলতে ক্লান্ত আমি,
শুধু তোমার চোখের ভাষায় খুঁজে পাই শান্তি।
তোমার ছোঁয়া যেন শ্রাবণের প্রথম ফোঁটা,
আমার তৃষ্ণার শেষ ঠিকানা।
তুমি কখনো ঝরো, কখনো থেমে যাও,
তবে মনের আকাশে তোমারই রাজত্ব।
তুমি রয়ে যাও হৃদয়ের গভীরে,
বৃষ্টির মতো, নরম নিঃশব্দে।
তোমার এক ফোঁটা ভালোবাসা,
আমার পৃথিবীর সমস্ত রঙ।
তুমি ছুঁলেই সবুজ হয় শূন্যতা,
তুমি এলে সব আকাশ নীল হয়ে যায়।
১২. অপেক্ষার সীমানা
একদিন যদি ফিরে আসো,
দেখবে আমি ঠিক আগের মতোই আছি।
তোমার জন্য রেখেছি সব কথা,
সব প্রেম জমা আছে চোখের পাতায়।
দিন বদলেছে, ঋতুরা ঘুরে গেছে,
তবে অপেক্ষার রং এখনো অমলিন।
একটি ডাক, একটি চিঠি,
এমনকি তোমার ছায়াও যথেষ্ট।
ফিরে এসো, তুমি আমার বসন্ত,
তোমার না থাকায় হেমন্ত নেমেছে বুকে।
ভালোবাসা কি কেবলই স্মৃতি?
নাকি অপেক্ষার সীমানাহীন পথ?
১৩. তুমি আকাশ হলে
তুমি যদি আকাশ হতে,
আমি হতাম এক চিলতে মেঘ।
তোমার নীল বুকের মাঝে,
ভেসে বেড়াতাম দিনরাত একসঙ্গে।
তুমি যদি সমুদ্র হতে,
আমি হতাম উচ্ছ্বসিত ঢেউ।
তোমার তীরে ভাঙতে ভাঙতে,
নিজেকেই খুঁজে পেতাম প্রতিদিন।
তুমি যদি বাতাস হতে,
আমি হতাম সেই পাখি,
যার ডানা শুধু তোমার ছোঁয়ায়,
শিখে গেছে আকাশ ছোঁয়ার গল্প।
১৪. তোমার ছোঁয়ার সুর
যখন তুমি ছুঁয়ে দাও আমার অস্থিরতা,
সমস্ত শব্দ নিস্তব্ধ হয়ে যায়।
তুমি জানো কি?
তোমার হাতের উষ্ণতায় স্বপ্নেরা বাঁচে।
এই ছোঁয়া কি কেবলই কল্পনা?
নাকি এক আশ্চর্য বাস্তবতা?
তুমি যখন কাছে থাকো,
ভালোবাসার সুর বেজে ওঠে মৃদু মৃদু।
তোমার ছোঁয়ায় জীবনের ছন্দ,
তোমার নীরবতায় রচি এক গান।
তুমি আসো, এক ঝলক বাতাসের মতো,
তুমি বয়ে যাও, রেখে যাও ভালোবাসার বর্ণমালা।
১৫. গোধূলির প্রতীক্ষা
গোধূলির আলোয় বসে থাকি,
তোমার ফেরার অপেক্ষায়।
হয়তো তুমি আসবে না,
তবুও হৃদয় বলে— ‘সে আসবেই।’
একটা চিঠি, একটা গান,
একটা স্পর্শের গল্প লিখে রেখেছি।
যদি তুমি কখনো ফিরে আসো,
এই গল্পগুলো তুমি পড়বে তো?
তুমি আসবে, এই বিশ্বাসেই,
প্রতিটি সন্ধ্যায় বাতি জ্বালি।
গোধূলি জানে আমার প্রতীক্ষার কথা,
তুমি কি জানো?

১৬. তোমার জন্য জোনাকির আলো
তোমার কথা মনে পড়লে,
রাতের আকাশে জোনাকির আলো জ্বলে।
ওরা কি জানে, তোমার নামের স্পর্শে
আমার হৃদয়ও জ্বলে ওঠে,
আলোর বিন্দু হয়ে।
আমি তাকিয়ে থাকি তোমার পথের দিকে,
সেই চেনা সন্ধ্যা কি আর ফিরবে?
তোমার হাতে হাত রাখার গল্পগুলো,
এখন শুধু রাতের বাতাসে দুলে বেড়ায়।
ভালোবাসা কি নিঃশব্দে কাঁদতে জানে?
আমার বুকের ভেতর জোনাকির মতো
একটা আলো সারারাত জ্বলতে থাকে,
তুমি তার খবর রাখো না।
১৭. কাঁচের শহরে তুমি
এই শহর কাঁচের মতো স্বচ্ছ,
তবু প্রতিটি মোড়ে তুমি লুকিয়ে আছো।
রাস্তার ধুলোয়, ট্রাফিকের শব্দে,
ক্যাফের ছোট্ট জানালায় তুমি বসে আছো।
আমি জানি, তুমি সেখানে নেই,
তবু কেন যেন মনে হয়—
তুমি হাত বাড়ালে, আমি ছুঁতে পারব,
তুমি ডাকলে, আমি ফিরে যাবো।
ভালোবাসা কি ফাঁকা শহরের মতো?
যেখানে আমরা হাঁটি পাশাপাশি,
তবু ছুঁতে পারি না একে অপরকে?
১৮. যদি একদিন হারিয়ে যাই
যদি একদিন আমি হারিয়ে যাই,
তোমার স্মৃতির কোন অলিগলিতে
আমার নামের ধুলো জমবে?
কোনো বিকেলের হাওয়া
তোমার চুলে আমার আঙুলের ছোঁয়া এনে দেবে?
কোনো কবিতার পঙক্তিতে
আমার ফেলে আসা ভালোবাসা খুঁজে পাবে?
আমি হারিয়ে গেলেও,
ভালোবাসা কি মুছে যায়?
নাকি থেকে যায়,
তোমার হৃদয়ের নিভৃত কোনো কোণে?
১৯. চোখের ভাষা
তোমার চোখের ভাষা বুঝতে শিখেছি,
তাই তো এতদিন কিছু বলিনি।
তোমার অভিমান, তোমার ক্লান্তি,
সব কথা তো চোখেই লেখা ছিল!
তুমি তাকালে, আমি জানতাম,
তুমি কিছু বলতে চাও।
তুমি ফিরে গেলে, আমি জানতাম,
তুমি অপেক্ষা করছো আমার ডাকের জন্য।
তবুও আমরা নীরব রইলাম,
ভালোবাসার সব শব্দ চোখেই রয়ে গেলো।
২০. তোমার ছোঁয়ার নেশা
তোমার ছোঁয়া যেন এক অলৌকিক মায়া,
আমি ডুবে যাই, তলিয়ে যেতে থাকি।
তুমি আঙুল বুলালে আমার হাতে,
সমস্ত পৃথিবী বদলে যায়।
তুমি যখন চলে যাও,
এই হাতটা খালি খালি লাগে।
তুমি কি জানো?
ভালোবাসার আসল নেশা তোমার স্পর্শ!
একবার ছুঁয়ে দাও,
আমি হারিয়ে যাবো সেই প্রথম বৃষ্টির ঘ্রাণে।
২১. ফিরে এসো এক সন্ধ্যায়
তুমি কি জানো,
আজও প্রতিটি সন্ধ্যায় তোমার জন্য দরজা খোলা থাকে?
আমি জানি, তুমি হয়তো আসবে না,
তবু বাতিটা নিভাই না।
যদি একদিন মনে হয়,
ফিরে আসতে চাও,
তবে দ্বিধা কোরো না,
আমার ভালোবাসা আজও অপেক্ষায়।
২২. তোমার নামের ছন্দ
তোমার নামের প্রতিটি অক্ষর,
আমার কবিতার শব্দ হয়ে গেছে।
আমি লিখতে বসলে,
শুধু তোমার কথাই লিখি।
তুমি বলো, এ ভালোবাসা কেমন?
আমি বলি,
এ ভালোবাসা কেবল নামের ছন্দে বেঁচে থাকে,
তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায়।
২৩. পুরনো কফির কাপে আমরা
কফিশপের পুরনো টেবিলে বসে,
আজও আমি তোমার জন্য একটা কফি রেখে যাই।
তুমি নেই, তবু ধোঁয়া ওঠা কাপে
তোমার ছোঁয়া খুঁজে ফিরি।
তুমি কি জানো?
তুমি চলে যাওয়ার পরেও
কফির স্বাদ বদলায়নি,
শুধু ভালোবাসার রঙ ফিকে হয়ে গেছে।
২৪. তোমার নামের প্রতিধ্বনি
আমি ডাকতে চাই না তোমার নাম,
তবু প্রতিটি দেয়ালে তার প্রতিধ্বনি বাজে।
রাস্তায়, বইয়ের পাতায়,
এমনকি রাতের নির্জনতায়ও—
তুমি আছো, অথচ নেই।
ভালোবাসা কি এমনই হয়?
যে থেকে গিয়েও থেকে থাকে না?
২৫. শুধু তুমি জানো
শুধু তুমি জানো,
কীভাবে একটা মানুষ আরেকজনের পৃথিবী হয়ে যায়।
কীভাবে একটা হাসি
কারও সমস্ত দুঃখ মুছে দিতে পারে।
শুধু তুমি জানো,
ভালোবাসা মানে দূরত্ব নয়,
ভালোবাসা মানে অপেক্ষা,
অবিরাম, নিরবধি।
২৬. তোমার অপেক্ষায়
তোমার অপেক্ষায় বসে আছি,
একটা চিঠি লিখবো বলে।
তবে শব্দগুলো হারিয়ে গেছে,
তোমার অনুপস্থিতির মতোই অস্পষ্ট।
গোধূলির আলো মিশে যাচ্ছে অন্ধকারে,
আর আমি ভাবছি—
তুমি কি আসবে, নাকি এ শহরের রাস্তাগুলো
চিরকাল তোমায় ফিরিয়ে দেবে না?
পাখিরা একে একে নীড়ে ফিরে যায়,
আমার হৃদয়ও চায় ফেরার পথ।
কিন্তু ভালোবাসা কি ফেরার কথা জানে?
সে তো কেবল অপেক্ষা বোঝে,
তোমার ছায়ার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা বোঝে।
২৭. স্মৃতির বৃষ্টি
আজ হঠাৎ বৃষ্টি এলো,
তোমার ছোঁয়ার মতো নরম,
তোমার বিদায়ের মতো ভারী।
প্রতিটি ফোঁটায় যেন বাজছে
একটা ভুলে যাওয়া স্মৃতির গান।
আমি জানি, স্মৃতিরা কখনো মরে না,
তারা রয়ে যায় বৃষ্টির ফোঁটায়,
তোমার হাতের ছোঁয়ার মতোই উষ্ণ।
তুমি কি জানো?
এই বৃষ্টির প্রতিটি বিন্দুতে
আজও শুধু তোমার নাম লেখা আছে।
যদি একদিন এই শহরের রাস্তায়
তুমি ফিরে আসো,
দেখবে, আমার অপেক্ষার ছায়া
এখনো ভিজে আছে তোমার ভালোবাসায়।
২৮. হারিয়ে যাওয়া সন্ধ্যা
সন্ধ্যার আকাশে আজও মেঘের আনাগোনা,
তুমি নেই, অথচ তোমার উপস্থিতি ছুঁয়ে যায়।
তোমার চোখের দৃষ্টিটুকু হারিয়ে গেছে,
তবে হৃদয়ের আয়নায় তুমি এখনো স্পষ্ট।
শহরের ব্যস্ততা, ভিড় আর আলো,
সবই তোমার নাম ধরে ডাকে।
আমি একা দাঁড়িয়ে,
একটা অপরিচিত সন্ধ্যার সঙ্গী হয়ে।
তুমি কি জানো?
ভালোবাসা কখনো পথ হারায় না,
শুধু কখনো কখনো
পথের ধুলোয় হারিয়ে যায় ভালোবাসার মানুষটা।
২৯. অপেক্ষার নীল আকাশ
তোমার নাম লিখতে গিয়ে,
কলম থমকে যায় মাঝপথে।
কি হবে এই শব্দ দিয়ে,
যদি তুমি না পড়ো, না বোঝো?
ভালোবাসা কি একতরফা শপথ?
নাকি এক নীল আকাশ,
যেখানে শুধু আমি একলা দাঁড়িয়ে?
তুমি কি জানো,
এই আকাশের প্রতিটি তারা
তোমার জন্যই অপেক্ষায়?
তুমি হয়তো আসবে না,
তবু আমি জানি,
একদিন ঠিক এই আকাশের নিচে,
তুমিও দাঁড়িয়ে থাকবে আমার প্রতীক্ষায়।
৩০. চিরকালের প্রেম
তুমি যদি সূর্য হও, আমি হবো ভোর,
যেখানে তোমার আলোয় আমি নতুন করে জাগবো।
তুমি যদি রাত হও, আমি হবো তারা,
যেখানে তোমার আঁধারে আমি জ্বলবো।
ভালোবাসা মানে কি একে অপরকে খুঁজে পাওয়া?
নাকি হারিয়ে গিয়ে আবার ফিরে আসা?
তুমি জানো না, তবু আমি জানি,
আমরা একে অপরের জন্য সৃষ্টি হয়েছিলাম।
যদি একদিন আমাদের গল্প শেষ হয়,
জানো, আমি কাঁদবো না।
কারণ ভালোবাসা কখনো ফুরায় না,
সে শুধু রূপ বদলায়, চিরকাল বেঁচে থাকে।
৩১. তোমার অভিসারে (রবীন্দ্রনাথের শৈলীতে)
তুমি কি আসবে আজ?
এই সন্ধ্যার ছায়ায় ছায়ায় মিশে,
নিস্তব্ধ বাতাসের গোপন ভাষায়
তোমার নামটি শুধু বাজে।
সেই যে প্রথম দেখা,
সেই যে প্রথম হাসি—
আজও হৃদয়ের আয়নায়
অমলিন ছবির মতো জ্বলছে।
আকাশের তারারা বলে,
ভালোবাসা হারায় না,
সে রয়ে যায় নদীর কলতানে,
কোকিলের গানে, বাতাসের ছোঁয়ায়,
তুমি যদি দূরেও যাও,
আমার প্রেমের সুর থাকবে সারা দেহে।
৩২. বিদ্রোহী প্রেম (নজরুলের শৈলীতে)
আমি তোমাকে চাই রক্তের দামে,
আমি তোমাকে চাই বিদ্রোহের শপথে!
এই ধরণীর সমস্ত বাঁধন ভেঙে,
তোমার বাহুর মাঝে আসবো আমি।
কেউ আমায় রুখতে পারবে না,
আমি তুফান, আমি ধ্বংসের দাবানল!
তুমি বলো— ভালোবাসা শান্তি আনে,
আমি বলি— ভালোবাসা আগুন জ্বালায়!
তুমি যদি দূরে যাও,
আমি ঝড় হয়ে আসবো তোমার দুয়ারে।
তুমি যদি অন্য কারো হও,
আমি রুদ্র রুদ্র বজ্র হয়ে ডাকবো তোমার নাম!
৩৩. ভালোবাসা কি কেবল দুঃখ? (জীবনানন্দ দাশের শৈলীতে)
ভালোবাসা কি কেবলই দুঃখের ছায়া?
নদীর জলে ভেসে যাওয়া শুকনো পাতা?
আমি কি তোমার জন্য
শুধুই একটা ফেলে দেওয়া গল্পের চরিত্র?
সন্ধ্যার কুয়াশায় হেঁটে গেলে,
তোমার ছায়াটা পড়ে কি আমার পথের ধুলোয়?
এই শহরের প্রতিটি ইটের গায়ে
তোমার হাতের ছোঁয়া লেগে আছে—
আমি জানি, তুমি আর ফিরবে না।
তবু রাতের তারারা জানে,
একদিন, একদিন ঠিক তোমার জন্য
আমার সমস্ত কবিতা ভাসবে বাতাসে।
৩৪. তোমার জন্য অপেক্ষা (সুকান্ত ভট্টাচার্যের শৈলীতে)
আমি অপেক্ষা করছি—
এই পথের ধুলোয়, এই রোদের তাপে,
তোমার পায়ের ছাপ খুঁজে ফিরছি,
যেখানে একদিন আমরা পাশাপাশি হেঁটেছিলাম।
তুমি কি জানো?
এই শহরের প্রতিটি গলিতে
আমার স্বপ্নেরা তোমার নাম ধরে ডাকে,
আমার বুকের ভেতর পুড়ে যায়
তোমার শূন্যতার আগুন!
তবু আমি থামবো না,
তোমার জন্যই আমার ভালোবাসা
একদিন বিপ্লব হয়ে উঠবে,
নতুন ভোর আনবে এই একলা হৃদয়ে।
৩৫. এই শহর আমাকে ভুলে গেছে (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শৈলীতে)
এই শহর আমাকে ভুলে গেছে,
তবে কি তুমিও?
রাতের চাঁদে আমি তোমার মুখ দেখি,
তবু তুমি আসো না।
কবিতা লিখি তোমার নামে,
কিন্তু পাতা ফাঁকা রয়ে যায়।
তোমার স্মৃতির রঙ ম্লান হয়ে গেছে,
তবে হৃদয়ের ভিতর এখনো আগুন জ্বলছে।
ভালোবাসা কি শুধু কষ্ট দেয়?
নাকি একদিন এই শূন্য শহরেও
তুমি ফিরে আসবে আমার কাছে?
৩৬. তোমার ছোঁয়ার গভীরতা (জসীমউদ্দীনের শৈলীতে)
তোমার ছোঁয়ার গভীরতা,
নদীর স্রোতের মতো প্রবাহিত।
তোমার কণ্ঠের সুর,
শুকনো পাতার মর্মরের মতো মৃদু।
আমি হারিয়ে গেছি তোমার মাঝে,
যেন মেঘ হারায় আকাশে।
তোমার ভালোবাসা আমার
ধানক্ষেতে সোনার রোদ্দুর,
তোমার শূন্যতা মরুভূমির তপ্ত বালু।
তুমি যদি না আসো,
এই মাটির পৃথিবীও একদিন
শুকিয়ে যাবে ভালোবাসার অভাবে।
৩৭. যদি তুমি ফিরে আসো (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শৈলীতে)
যদি তুমি ফিরে আসো,
তবে কি এই শহর বদলে যাবে?
তোমার হাসির ছোঁয়ায়
আবার কি বসন্ত ফুটবে গাছের ডালে?
আমি জানি, তুমি আর আসবে না,
তবু কেন জানি মনে হয়,
একটা বিকেলের হাওয়ায়
তোমার গন্ধ ফিরে আসবে।
তোমার নামের প্রতিটি অক্ষর
এখনও বুকের ভিতর জ্বলছে,
তুমি ছাড়া সবকিছু আছে,
শুধু জীবনটাই নেই।
৩৮. সাঁতার কাটতে কাটতে (কাজী নজরুল ইসলামের শৈলীতে)
তুমি আছো কি নেই, জানি না—
অথচ আমি সাঁতার কাটছি তোমার সোঁতানো সাগরে।
বিশ্বটা কাঁপে, আমার বুকও কাঁপে,
তবে তোমার ছোঁয়ার গন্ধটি
এখনো বাতাসে ভাসে।
সেই চিরকালীন কবিতার মতো
তোমার নাম উচ্চারণে যেন
অগ্নি জ্বলে, পাখিরা গাইতে শুরু করে
একটি নতুন গানের সুর।
তুমি যদি ফিরো, পৃথিবী আবার
ধ্রুব তারায় আলো পাবে—
আমি সাঁতার কাটব তোমার জলে,
পেয়ে যাবো এক চিরকালীন ভালোবাসা।
৩৯. তোমার অবলম্বন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শৈলীতে)
তোমার প্রেমের আলোতে
বেঁচে আছি আমি।
তুমি না এলে, আমার পথ
আলোর মতো হয়ে যায় অন্ধকারে।
তবে তোমার ছায়া কোথাও মেলে,
আমার অনুভূতিগুলো ছুঁয়ে যায়,
হৃদয়ের গহীনে।
তুমি যে পাখি, তোমার কলরবে
আমার সকল চিন্তা হারিয়ে যায়।
বসে আছি অপেক্ষায়,
শুধু তোমার রূপের গভীরে,
আমি প্রতিটি ক্ষণ খুঁজে ফিরি
আমার সেই চিরকালীন প্রেমের মন্দিরে।
৪০. যাপিত সময়ের প্রেম (সুকান্ত ভট্টাচার্যের শৈলীতে)
তুমি সময়কে হারিয়ে ফেলেছো,
আমিও ছুটে চলেছি রক্ত-মাঝে!
তবে সময় কি প্রেমকে বাঁধতে পারে?
তুমি যদি দূরও যাও,
আমার হৃদয়ের ক্ষতগুলোই
তোমার প্রতি আরো গভীর হয়ে ওঠে।
জীবন এক সুতোয় বাঁধা,
তবে তুমিই যে সেই সুতোর শেষ।
তুমি যদি মুছে যাও,
তবে আমি বাঁচব কীভাবে?
তুমি ছাড়া সমস্ত কিছু
শুধু ক্ষুদ্র মিছিলে পরিণত হবে—
অবশেষে সেখানেও
শুধু তোমার ভালোবাসার সুর বেজে যাবে।
৪১. আমার সমস্ত দুঃখ (হুমায়ূন আহমেদের শৈলীতে)
তোমার বিদায়ের পর,
এখন আমার সমস্ত দুঃখের ভাষা নিঃশব্দ।
হাসির মুহূর্তগুলো মুছে গিয়ে
জন্ম নিয়েছে মেঘের মত ভারী বিষাদ।
তবে তোমার চিঠির শব্দগুলো
এখনো আমার বুকের মাঝে বাজে,
যেন বৃষ্টি হয়ে পড়ে আর ফেরে না।
তুমি কি জানো,
এই শহরের রাস্তায়—
তোমার না আসার বেদনা ভরে যায়,
আর প্রতিটি পদক্ষেপ
তোমার নাম মোর সাথে উচ্চারণ করে।
৪২. তোমার নাম উচ্চারণ (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শৈলীতে)
তোমার নাম উচ্চারণ করতে গেলে
যেন হাজার হাজার তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।
প্রতিটি শব্দ যেন আছড়ে পড়ে
আমার ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ে।
তুমি তো বিদায় নিয়েছিলে,
কিন্তু তোমার প্রতিটি স্মৃতি
এখনো যন্ত্রণা দেয়।
তবে এই যন্ত্রণা আমার,
এই অশ্রু আমার—
আমি সেগুলো রক্তে গড়ি,
প্রেমের রূপে গড়ি,
যতবার তোমার নাম বলি,
ততবার মরে গিয়ে
এখনো বাঁচে ওই ভালোবাসা।
৪৩. তোমার ছায়ায় (সোনালী চৌধুরীর শৈলীতে)
তোমার ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে
এখনো আমার পৃথিবীতে।
কখনো মনে হয়,
এটাই যে আমার অমলিন শূন্যতা।
তুমি যদি না আসো,
তবে আমার চোখের ভেতর
তোমার প্রতিটি ছবি ঝুলে থাকে।
তুমি চলে গেছো, কিন্তু
আমার ভিতর, তোমার কথা শুনি।
তোমার মুখের হাসি,
আজও আমার হৃদয়ের মন্দিরে
গাঁথা হয়ে আছে এক চিরন্তন প্রার্থনায়।
৪৪. তোমার হাতের সুর (জীবনানন্দ দাশের শৈলীতে)
তোমার হাতের সুরে,
মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই।
যেন মেঘের মধ্যে সূর্যের রশ্মি—
অলীক, তবু অসীম সত্যি।
তুমি যদি সরে যাও,
তবে আমার কণ্ঠের গান
কেমন খুঁজে পাবে একা পথ?
তবু, আমার প্রেমই গানের সুর—
তুমি ছাড়া সে সুর কিছুই নয়।
তুমি যদি থাকো,
তবে প্রতিটি হাওয়া
প্রেমের ভাষায় কথা বলে।
৪৫. নীল আকাশের প্রেম (কাজী নজরুল ইসলামের শৈলীতে)
তুমি চলে গেলে,
তবুও আমার হৃদয় বিহীন নয়।
মেঘের মধ্যেই তোমার মুখ খুঁজে পাই,
তোমার চোখের চাহনিতে হারিয়ে যাই।
যতবার আকাশের দিকে তাকাই,
ততবার মনে হয় তুমি ফিরে আসবে—
নীল আকাশের কোনো এক প্রান্তে
তোমার হাত ছুঁয়ে যাবে আমার হৃদয়।
তবে তুমি বুঝবে না,
যতদিন না আমি তোমার জন্য
আকাশের পথে পথিক হয়ে যাবো।
৪৬. সাদা মেঘের প্রেম (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শৈলীতে)
তোমার চোখে এক মিষ্টি স্বপ্ন ছিল,
তুমিও কি জানো, সে স্বপ্ন এখনও আমার বুকে?
কখনো কখনো, মেঘের মাঝেও
তোমার মুখ খুঁজে পাই,
সে মুখ আমার বুকের ভিতর
অথচ তুমি নেই।
সন্ধ্যা যখন আসবে,
আকাশের আড়ালে যেন তোমার পদধ্বনি।
ভালোবাসা কি ক্ষণিকের?
একা একা কাঁপে যে হৃদয়,
সে কি কখনো শীতল হতে পারে?
তুমি না থাকলেও,
তোমার হাসির আলোয় এই মন জ্বলে।
৪৭. স্বপ্নের পাড়ে (নজরুল ইসলামের শৈলীতে)
তুমি যদি এই রাতে আমার কাছে না আসো,
তবে আমি একা অন্ধকারে হারিয়ে যাবো,
আলোর সন্ধানে ছুটে চলব,
এমনকি মৃত চাঁদের নিচে।
প্রেমের বার্তা শোনাবে যদি তুমি,
তবে এই শবনমে আমার খুঁজে পাবো
কোন এক দিনের স্বপ্ন—
যেখানে তুমি আমি, শুধু আমি এবং তুমি।
কেবল এক সাদা পাখি হয়ে
স্বপ্নে ভেসে যেতে চাই।
তুমি ছাড়া জীবন কি তাহলে অস্তিত্ব পায়?
আমি তোমাকে চাই— এতটুকু, এতটুকুই।
৪৮. প্রেমের শূন্যতা (জীবনানন্দ দাশের শৈলীতে)
এখন একা,
তোমার স্মৃতি ছাড়া কিছুই নেই আমার পাশে।
গোধূলির আকাশে যখন সোনালী রশ্মি পড়ে,
তুমি হারিয়ে যাও।
তবে, কি জানো, আমি অপেক্ষা করি
তোমার ছায়া, তোমার অশ্রুর জন্য।
এটা কি ভালোবাসা,
যেখানে কিছুই থাকে না,
শুধু শূন্যতা, শুধু অমলিন ক্ষণ?
তবে, প্রতিটি ক্ষণ বয়ে নিয়ে আসে
তোমার ভালোবাসার শূন্যতা—
এখনো বেঁচে আছি আমি,
তুমি যেখানে থেকো, হৃদয়ে।
৪৯. বিদায়ী প্রেম (সুকান্ত ভট্টাচার্যের শৈলীতে)
বিদায়ের তীব্রতা যেন আকাশে কালো মেঘ,
তুমি চলে গেলে, আমার বুক শূন্য হয়ে গেছে।
ভালোবাসার শেষে এ কী রহস্য?
তোমার চোখের জলই আমার প্রার্থনা,
তোমার স্মৃতি, আমার দুঃখ।
তুমি চলে গেছো, কিন্তু
এই শহরের রাস্তায়,
আমি তোমার পদচিহ্ন খুঁজে ফিরি।
কীভাবে জানি,
তুমি এভাবে চলে গেলে,
তবুও এ হৃদয়ে তোমার জায়গা
নেই তো ফুরানো।
৫০. অনন্ত ভালোবাসা (রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শৈলীতে)
এটা প্রেম নয়—
এটা হলো এক অসীম যাত্রা।
তোমার হাসি আমার মধ্যে লুকানো
এক নক্ষত্রের মতো দীপ্তি।
আমার হৃদয় ক্ষয়ে যায়,
তবে জানি— তুমি ফিরে আসবে,
আমি অপেক্ষা করবো,
প্রতিটি হাওয়ার সঙ্গে,
তোমার শ্বাসের তাল ছাড়া।
আমরা কখনো হারাবো না—
প্রেমের এই কালো অন্ধকারে
তুমি আমি একত্রে থাকবো।
অন্তহীন সময়ের শেষে,
আমরা হবে এক শাশ্বত সঙ্গী।
আরো পড়ুনঃ